নৃত্যগোপাল স্মৃতিমন্দির ও চন্দননগর পুস্তকাগার: চন্দননগর হুগলি (Nrityagopal Smritimandir and Chandannagar Pustakagar, Chandannagar, Hooghly)
চন্দননগর বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফরাসি আমলের সেই স্নিগ্ধ আবেশ, গঙ্গা আর ইতিহাসের মিশেল। এই শহরের সাংস্কৃতিক মানচিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো ‘নৃত্যগোপাল স্মৃতিমন্দির ও চন্দননগর পুস্তকাগার’। এটি কেবল একটি দালান নয়, বরং চন্দননগরের শিক্ষা ও সংস্কৃতির এক দেড়শো বছরের দীর্ঘ যাত্রার সাক্ষী। ১৮৭৩ সালের পয়লা অক্টোবর শ্রী যদুনাথ পালিত মহাশয়ের হাত ধরে চন্দননগর পুস্তকাগারের যাত্রা শুরু হয়। তৎকালীন ফরাসি উপনিবেশের উর্দিবাজারে একটি ভাড়া বাড়িতে এর জন্ম। শুরুর দিকে লাইব্রেরিটির স্থায়িত্ব ছিল অনিশ্চিত; কখনো নীচু পল্লী, কখনো কাঁসারিপাড়ায় বাড়ি বদল করতে করতে চলেছে এর কার্যাদি। যদুনাথ বাবু নাটকের অনুরাগী ছিলেন। বন্ধু মতিলাল শেঠ ও মহেন্দ্রনাথ নন্দীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি একটি থিয়েটার দলও গড়েছিলেন। কিন্তু গ্রন্থাগারটি বাঁচানোর তাগিদে তিনি নিজের শখের থিয়েটারের সামগ্রী পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এই লাইব্রেরিকে এক স্থায়ী ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্ব চন্দননগরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবক ও প্রথম মেয়র শ্রী হরিহর শেঠের। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাগবাজারে তাঁর পিতা নিত্যগোপাল শেঠের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ...